অ্যামোক্সাপাইন
অ্যামোক্সাপাইন (ইংরেজি: Amoxapine) হলো একটি ওষুধ যা মূলত বিষণ্ণতা বা হতাশা (Depression) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।[1] এর মধ্যে সাইকোসিস (Psychosis) অথবা উদ্বেগজনিত বিষণ্ণতাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।[1] এটি সাধারণত মুখে সেবন করতে হয়।[1] ওষুধটি শরীরে সম্পূর্ণরূপে কাজ শুরু করতে প্রায় ২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।[1]
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা
এই ওষুধের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
অন্যান্য গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণ (Extrapyramidal symptoms), টার্ডিভ ডিস্কিনেসিয়া (Tardive dyskinesia), আত্মহত্যার প্রবণতা, কার্ডিয়াক অ্যারিথমিয়া (হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা) এবং অস্বাভাবিক বুকের দুধ উৎপাদন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।[2] গর্ভাবস্থায় এই ওষুধের সুরক্ষার বিষয়টি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।[3] এটি মূলত একটি টেট্রাসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট (Tetracyclic antidepressant), যা মস্তিষ্কে নরএপিনেফ্রিন (Norepinephrine)-এর সংকেত আদান-প্রদানকে বাধাগ্রস্ত করে কাজ করে বলে ধারণা করা হয়।[2]
ইতিহাস ও প্রাপ্যতা
১৯৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অ্যামোক্সাপাইন অনুমোদন লাভ করে।[1] এটি একটি জেনেরিক ওষুধ হিসেবেও বাজারে পাওয়া যায়।[4] ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই ওষুধের এক মাসের চিকিৎসার খরচ প্রায় ৫০ মার্কিন ডলার।[4]
