বিশ্ব হার্ট দিবস / বিশ্ব হূদয় দিবস (World Heart Day)
| বিশ্ব হার্ট দিবস (World Heart Day) | |
|---|---|
হৃদস্বাস্থ্য সচেতনতায় বিশ্ব হার্ট দিবস | |
| সাধারণ বিবরণ | |
| পালনের তারিখ: | ২৯ সেপ্টেম্বর |
| ধরণ: | আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য সচেতনতা দিবস |
| উদ্যোক্তা: | ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন (WHF) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) |
| সূচনা: | ২০০০ সাল (১৯৯৯ সালে প্রস্তাবিত) |
| পৌনঃপুনিকতা: | বার্ষিক |
| স্থায়িত্ব: | ১ দিন |
| প্রধান লক্ষ্য: | কার্ডিওভাসকুলার রোগ (CVD), হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরি |
বিশ্ব হার্ট দিবস বা বিশ্ব হূদয় দিবস (Template:Lang-en) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সচেতনতা দিবস, যা প্রতি বছর ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়।[1] ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন (World Heart Federation - WHF) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর যৌথ উদ্যোগে এই দিবসটি পরিচালিত হয়।
বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যুর প্রধান একক কারণ হলো হৃদরোগ ও রক্ত সংবহনতন্ত্রের জটিলতা (কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা CVD), যার মধ্যে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য। বিশ্ব হার্ট দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে হৃদরোগের ঝুঁকিসমূহ (যেমন: তামাক সেবন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ, স্থূলতা ও কায়িক শ্রমের অভাব) সম্পর্কে সচেতন করা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গ্রহণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের উপায় প্রচার করা।
পটভূমি ও ইতিহাস
বিশ্ব হার্ট দিবসের ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতি অ্যান্টনি বায়াস ডি লুনা (Antoni Bayés de Luna)। তাঁর উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ২০০০ সালে সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি উদযাপিত হয়।[2]
শুরুর দিকে, অর্থাৎ ২০০০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত, প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার এই দিবসটি পালন করা হতো। পরবর্তীতে ২০১১ সাল থেকে স্থায়ীভাবে প্রতি বছর **২৯ সেপ্টেম্বর** দিনটিকে 'বিশ্ব হার্ট দিবস' হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।[3]
প্রধান কার্যক্রম ও কর্মসূচি
বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা সংস্থা ও নাগরিক সমাজ নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে:
- স্বাস্থ্য ক্যাম্প ও স্ক্রিনিং: বিনামূল্যে রক্তচাপ, রক্তের শর্করা (গ্লুকোজ), কোলেস্টেরল এবং বডি মাস ইনডেক্স (BMI) পরীক্ষা।
- শারীরিক সক্রিয়তা বৃদ্ধি: সাধারণ মানুষকে শরীরচর্চায় উৎসাহিত করতে হাঁটা প্রতিযোগিতা (Walkathon), ম্যারাথন দৌড় এবং ফিটনেস সেশনের আয়োজন।
- জনসচেতনতা ও প্রচার: ধূমপান ও তামাক বর্জন, খাবারে প্রক্রিয়াজাত লবণ ও স্যাচুরেটেড চর্বি কমানো এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ওপর বিশেষ সেমিনার ও মিডিয়া ক্যাম্পেইন।
- ঐতিহাসিক স্থাপনায় আলোকসজ্জা: সচেতনতা বৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত স্থাপত্য ও ভবনগুলোতে লাল রঙের বিশেষ আলোকসজ্জা (Illumination) করা হয়।
